Posts

Showing posts from October, 2018

আমাদের দেশে প্রচলিত বেশ কয়েকটি প্রচলিত কুসংস্কার.!

Image
. কুসংস্কার(ইংরেজি ভাষায়: superstition) হল অযৌক্তিক যেকোনো বিশ্বাস বা অভ্যাস - যেমন, এটি অজ্ঞতা থেকে উদ্ভূত হয়, বিজ্ঞান বা এর কার্যকারিতা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হওয়া, ভাগ্য বা জাদুতে ইতিবাচক বিশ্বাস অথবা যা অজানা তা থেকে ভয় পাওয়া। এছাড়াও "কুসংস্কার" বলতে ধর্মীয় বিশ্বাস বা অযৌক্তিকতা থেকে উদ্ভূত কর্মকাণ্ডকে বোঝায়। তাই চলুন জেনে নেয়া যাক, আমাদের দেশে প্রচলিত কিছু কুসংস্কার. ১) পরিক্ষা দিতে যাওয়ার পূর্বে ডিম খাওয়া যাবে না। তাহলে পরিক্ষায় ডিম (গোল্লা) পাবে। ২) নতুন স্ত্রীকে দুলাভাইয়ের কোলে করে ঘরে আসতে হবে। ৩) দোকানের প্রথম কাস্টমার ফেরত দিতে নাই। ৪) নতুন স্ত্রীকে নরম স্থানে বসতে দিলে মেজাজ নরম থাকবে। ৫) বিড়াল মারলে আড়াই কেজি লবণ দিতে হবে। ৬) জোড়া কলা খেলে জোড়া সন্তান জন্ম নিবে। ৭) রাতে নখ, চুল ইত্যাদি কাটতে নাই। ৮) চোখে কোন গোটা হলে ছোট বাচ্চাদের নুনু লাগালে সুস্থ হয়ে যাবে। ৯) ভাই-বোন মিলে মুরগী জবেহ করা যাবে না। ১০) ঘরের ময়লা পানি রাতে বাইরে ফেলা যাবে না। ১১) ঘর থেকে কোন উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর পেছন থেকে ডাক দিলে যাত্রা অশুভ হবে। ১২) ব্যাঙ ডাকলে...

আধুনিক বিজ্ঞানের আলোকে নামাজের উপকারিতা,

Image
মানুষ সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য আল্লাহর ইবাদত বন্দেগী করা, ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের দ্বিতীয়টি নামাজ। দুনিয়া এবং আখেরাতে নামাজের রয়েছে অনেক উপকারিতা, পরকালের এই শান্তির পাশাপাশি বিজ্ঞানের আলোকেও রয়েছে নামাজের অবিশ্বাস্য বহুবিধ উপকারিতা। নামাজের উপকারিতাসমূহ: >>১. নামাজে সিজদাকালে আমাদের মস্তিস্কে রক্ত খুব দ্রুত প্রবাহিত হয়। ফলে আমাদের স্মৃতি শক্তি অনেক বৃদ্ধি পায়। >>২. নিয়মিত নামাজ আদায়ের ফলে মানুষের মনে অসাধারণ পরিবর্তন আসে। >>৩. নামাজ মানুষের ত্বক পরিষ্কার রাখে। যেমন- দৈনিক বিভিন্ন সময় ওজু করার কারণে আমাদের দেহের মূল্যবান অংশগুলো পরিষ্কার করা হয় বলে বিভিন্ন প্রকার জীবাণু হতে আমরা সুরক্ষিত থাকতে পারি। >>৪. নিয়মিত নামাজ আদায়ে মানুষের প্রাণশক্তি বৃদ্ধি পায়। >>৫. নামাজে দাঁড়ানোর পর আমাদের চোখ সুনির্দিষ্ট একটি কেন্দ্রে স্থির থাকে। এর ফলে কর্মক্ষেত্রে আমাদের মনোযোগ বৃদ্ধি পায়। >>৬. অজুর সময় মুখমন্ডল যেভাবে পরিস্কার করা হয় সেটি আমাদের মুখের একপ্রকার মেসেজ হিসেবে ধরা হয়। ফলে আমাদের মুখের রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি পায় এবং বলিরে...

এক নজরে মনোহরগঞ্জ উপজেলা

Image
মনোহরগঞ্জ উপজেলা কুমিল্লা জেলার একটি উপজেলা, প্রাকৃতিক সম্পদ সম্পাদনাঃ- কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলা একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত। বৃহত্তর লাকসাম উপজেলার জলাঞ্চল হিসেবে খ্যাত দক্ষিণ অঞ্চলের ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে উপজেলাটি ২০০৫ সালে গঠিত। ডাকাতিয়া নদীর তীরে অবস্থিত এ উপজেলা এক সময় ব্যবসা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। এখান হতে জাহাজে করে, নৌকায় করে পাটসহ অন্যান্য কৃষিজাত পণ্য।  ডাকাতিয়া নদী পথে চাঁদপুর হয়ে নারায়নগঞ্জ ও ঢাকায় প্রেরণ করা হত। কালের বিবর্তণে সেসব আজ বিলীন হয়ে গেছে। এলাকার সাধারন জনগণ কৃষি-কাজ, মাছ ধরার উপর নির্ভরশীল। এ উপজেলায় প্রাকৃতিক সম্পদের কোন ক্ষেত্র যেমন- তেল, গ্যাস বা কয়লা খনি পাওয়া যায়নি। এলাকার জনসাধারন কৃষিজাত পণ্য, শস্য উৎপাদন এবং মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে। নদ-নদী সম্পাদনাঃ- ---------------------------- মনোহরগঞ্জ উপজেলার উল্লেখযোগ্য নদী হচ্ছে ডাকাতিয়া নদী। উপজেলাটি ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে অবস্থিত। উপজেলার কাছে নদীর একপ্রান্তে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বাঁধ নির্মাণ করা আছে।  এক সময় এ নদীই ছিল মনোহরগঞ্জ উপজেলায় যোগা...

।।শিখার আছে অনেক কিছু: পড়ে দেখুন চোখে জল আসবেই।। ভালো লাগলে শেয়ার করবেন

Image
♦ ২০০০সালঃ আমার মা তখন প্রেগন্যান্ট। মায়ের পেটে আমাদের গোল্ডেন সিস্টার আদুরে ছোট বোন আফসানা। আফসানা এই পর্যন্ত তিন টা গোল্ডেন জিপিএ ৫ পাওয়ায় এই নাম তার। মা খুব অসুস্থ ছিলেন তখন। আমাদের অভাব ও তুঙ্গে। বাবা তখন বেকার। ঘরে বাজার নেই,চাল, ডাল, তেল, নুন কিছুই নেই।। একটা নীরব হাহাকার এর ভিতর দিয়ে আমরা যাচ্ছি। আমার এক কাকা তখন থাকতেন কুমিল্লা শহর এর নানুয়া দিঘীর দক্ষিন পাড়ে শরীফ মঞ্জিলে। উনি কুয়েত এ থাকিতেন। অনেক টাকা উনার তখন। দেশে আসার পর আম্মা আমাকে নিয়ে উনার বাসায় গেলেন। ২০০০ টাকা ধার চাইলেন। মা অনেক কাকুতি মিনতি করলেন। আমরা না খেয়ে আছি,মা এর শরীর টা ভাল না এইসব বুঝালেন।।কাকা মাথা নাড়লেন। আমি ও মা একটা আশা নিয়ে রাত কাটালাম উনার বাসায়। পরের দিন আসার সময় আমার হাতে উনি ২০ টাকার দুইটা নোট ধরিয়ে দিলেন। উনার বাসা থেকে টমছম ব্রিজ এর রিক্সা ভাড়া ছিল ৫ টাকা,বাসে টমছম ব্রিজ থেকে বলাকা বাসে আড্ডা বাজার এর ভাড়া ছিল ১৭ টা,দুইজনের ৩৪ টাকা লাগিল।উনি আমাদের ১ টাকা বেশি দিয়েছিলেন। আমার মা বাস জার্নি করতে পারেন না,মোশন সিক্নেস এর জন্য উনি বমি করে অস্থির হয়ে যান। অনেক আ...

একজন মধ্যবিত্তের অনুভূতি

Image
♥ ♥ ♥ ♥ সেদিন ৫ টাকার বাদাম কিনবো বলে মানিব্যাগটা যখন হাতে নেই, দেখি মাত্র দুই টাকার একটা কয়েন মানিব্যাগের কোণায় পড়ে আছে। তখন বাদাম না কিনেই রাস্তা দিয়ে আনমনে হাটতে থাকি। মানিব্যাগের যা অবস্থা হয়েছে, দেখে যে কেউ বলবে অনেক বছরের পুরোনো। একবার বন্ধু বলেই ফেলেছে, তোর মানিব্যাগ চেঞ্জ করিস না কেন? সেদিন হাসতে হাসতে বলেছিলাম, দোস্ত মানিব্যাগটা আমার জন্যে অনেক লাকি। যদিও আমি জানি নতুন একটা কেনার মত আমার কাছে টাকা নেই। আমার চুল নিয়ে বন্ধুমহলের সবার অনেক চিন্তা। সবাই বলাবলি করে করতে থাকে লম্বা চুলে তোকে খারাপ লাগে। প্লীজ তুই চুল কাট ভাই। কিন্তু ওরা জানেনা, আমি সেই চুল কাটার টাকা দিয়ে একটা খাতা এবং একটি কলম কিনেছি। সবাই বলাবলি করতে লাগলো এবার প্রচুর ঠান্ডা পড়ছে। ওরা আমাকে জিজ্ঞেস করে, তোর কি ঠান্ডা লাগেনা? আমি বলি, ঠান্ডা তো বাচ্চা আর বুড়োদের জন্য। শীতের কাপড় পরিধান আমার একদম ভাল্লাগেনা। কিন্তু শীতের কারণে প্রতিরাতেই আমার কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। সবাই বলেছিলো যাতে এইবার অন্তত আমি তাদের সাথে পিকনিকে যাই। আমি বলেছিলাম...

ঋণের ফাঁদে পড়বে স্বদেশ!

Image
পদ্মা সেতু প্রকল্পে দেশজ উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার ফলে ঋণের ফাঁদে পড়ে যেতে পারে দেশ। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশনের (পিপিআরসি) চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান এ আশঙ্কার কারণ হিসেবে বলেছেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের অর্থায়ন একটি সূত্রের (বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণ) পরিবর্তে অন্য সূত্র থেকে ঋণ নেওয়া হচ্ছে। তবে দেশের আরেক অর্থনীতিবিদ, বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর পদ্মা সেতুসহ বৃহৎ প্রকল্প ঘিরে অন্য শঙ্কার কথাও বললেন। তিনি বলেছেন, ‘পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে ৪০ হাজার কোটি টাকার রেললাইন বসানোর প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এটা শেষ পর্যন্ত ৫০-৬০ হাজার কোটি টাকায় গিয়ে ঠেকবে। কিন্তু এত টাকা খরচ করে কী লাভ (রেট অব রিটার্ন) পাওয়া যাবে, তা নিয়ে কোনো পর্যালোচনা হয়নি। কবে এত টাকা উঠে আসবে জানি না। পদ্মা সেতু ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণেও এ ধরনের পর্যালোচনা করা হয়নি।’ তাঁর মতে, বেশির ভাগ বড় প্রকল্প বিদেশি টাকায় করা হচ্ছে। এতে ঋণের সুদ ব্যবস্থাপনা কেমন হবে, তা নি...